প্রতীকী ছবি।

ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করা ও এগিয়ে নেওয়া এবং সব ধরনের উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, সহিংসতা প্রতিহত করার লক্ষ্যে দেশে সম্প্রীতি কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এই কমিটি করছে সম্প্রীতি সমাবেশ। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সিলেটসহ দেশের সব সিটি করপোরেশনে কেন্দ্রীয় ও ওয়ার্ড পর্যায়ে একটি করে সামাজিক সম্প্রীতি কমিটি গঠন এবং সম্প্রীতি সমাবেশ আয়োজনের নির্দেশনা জারি করেছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশন পর্যায়ে সামাজিক সম্প্রীতি কমিটিতে সভাপতি হবেন মেয়র, সদস্যসচিব হবেন প্রধান সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা।


কমিটিতে থাকবেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সিটি করপোরেশনের পাঁচজন কাউন্সিলর (সংরক্ষিত আসনের দুজনসহ), বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বিশিষ্ট সমাজসেবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, নারী সমাজসেবক, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত একজন, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের একজন করে প্রতিনিধি, পূজা উদ্‌যাপন কমিটি, পরিষদের প্রতিনিধি এবং পাঁচজন স্বেচ্ছাসেবী (স্কাউট/গার্লগাইডস/বিএনসিসি/এনজিও প্রতিনিধি)।

তবে কাজের সুবিধার্থে এক বা একাধিক সদস্য কো-অপ্ট করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে কমিটিকে।

কমিটির কার্যপরিধিও উল্লেখ করেছে মন্ত্রণালয়। তাতে বলা হয়েছে, এ কমিটি সিটি করপোরেশন এলাকায় সম্প্রীতি সমাবেশ, উদ্বুদ্ধকরণ সভা, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যমান সম্পর্ক ও সামাজিক বন্ধনকে সুসংহত রাখাসহ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধনকে এগিয়ে নিতে সর্বদা সচেষ্ট থাকবে। ধর্মীয় উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রচার ও উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

এ ছাড়া মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সব উপাসনালয়ের নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর সহায়তা প্রদান করবে। সব ধর্মীয় উৎসব যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মাধ্যমে উদ্‌যাপনের পরিবেশকে অক্ষুণ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। বিভিন্ন ধর্মের শান্তি ও সৌহার্দ্যের বাণীসমূহ ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সিলেটভিউ২৪ডটকম/আরআই-কে