সিলেট-১ আসনের সাংসদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের আগমনকে ঘিরে শহরতলীর সাহেবের বাজার এলাকায় এখন রীতিমতো উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ছেলে-বুড়ো থেকে দলমত নির্বিশেষে সবাই অপেক্ষার প্রহর গুণছেন।
শনিবার (৮ অক্টোবর) বেলা ১১টায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাহেবের বাজার স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪তলা একটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এরপর এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন।
জানা গেছে, সিলেট সদর উপজেলার সাহেবের বাজার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা। এ এলাকায় তার হাতধরে বেশ কিছু উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেগুলো পরিদর্শন করবেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তিনি সরাসরি তাদের দাবির কথা শুনবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে সাহেবের বাজার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। শিক্ষার্থীরা মন্ত্রীর সামনে নিজেদের দাবি তুলে ধরার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।
এছাড়াও এলাকার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরাসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনকে স্বাগত জানিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন ইত্যাদি লাগিয়েছেন।
সাহেবের বাজার স্কুল অ্যান্ড কলেজের কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী জসিম উদ্দিন, এমরান আলী তালুকদার, আব্দুস সালাম উচ্ছ্বসিত কন্ঠে বলেন- ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসছেন, আমরা খুব আনন্দিত। একটি বিশাল ভবনের নির্মাণ কাজ তিনি উদ্বোধন করবেন। আমাদের আরও কিছু দাবি-দাওয়া আছে। সেগুলো আমরা বা আমাদের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ তার সামনে তুলে ধরবেন। প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন তৎপরতার গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ হবে আমাদের এলাকা। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক।’
সাহেবের বাজার এলাকা সিলেট শহরের পাশেই। এলাকায় উন্নয়ন কাজ হলেও, আরও অনেক কিছুর দাবি রয়েছে। বিশেষ করে নাগরিক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির ব্যাপারে স্থানীয়দের অনেক দাবি দাওয়া আছে। সেগুলো তুলে ধরতে প্রস্তুত তারা।
এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘স্কুলে চারতলা ভবন হচ্ছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেটির নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করতে আসছেন, এটি আমাদের জন্য খুবই আনন্দের ব্যাপার। তবে আমাদের আরও অনেক কিছুর চাহিদা আছে। আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে সেগুলো অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে তুলে ধরতে হবে। তা না হলে দলের ভাবমুর্তি যেমন নষ্ট হবে, তেমনি এলাকার মানুষও উন্নয়ন বঞ্চিত থাকবেন।’
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইআ/পিডি




