(প্রতীকী ছবি)
আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট মার্কেটে গ্যাসের দর অস্বাভাবিক লাফ দেয়ার পর আমদানি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। জ্বালানির অভাবে গ্যাসচালিত অনেকগুলো বিদ্যুৎকেন্দ্র বসিয়ে রাখতে হচ্ছে। এর ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহের পাশাপাশি সিলেট বিভাগ তীব্র লোডশেডিংয়ের কবলে পড়তে যাচ্ছে। খবর নিউজবাংলা২৪-এর।
এদিকে, গ্যাস সংকটে সিলেটসহ সারা দেশে আরও দুই ঘণ্টা সিএনজি গ্যাস স্টেশন বন্ধ রাখতে চায় সরকার। ফলে দিনে মোট ৭ ঘণ্টা গ্যাস পাবে না গাড়ি। তবে কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত সরবরাহ বন্ধ থাকবে, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন সীমিত রাখার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এ নিয়ে সিএনজি স্টেশন মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল-গ্যাস কোম্পানি পেট্রোবাংলা। এ সময় তাদেরকে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হয়েছে।
গত ১ মার্চ থেকে সিএনজি স্টেশনগুলো সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকে। এর আগে সন্ধ্যা ৬টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা গ্যাস বিক্রি বন্ধ ছিল।
তবে বৈঠকে সরকারের সিদ্ধান্ত একমত হতে পারেনি স্টেশন মালিকরা। গতকালের বৈঠকে তারা জানায়, এমনিতেই নানা সমস্যায় আছে স্টেশনগুলো। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার পাশাপাশি বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণেও বিক্রি বন্ধ থাকে অনেক সময়। এর মধ্যে সরবরাহ আরও দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকলে ব্যবসা থাকবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়- দেশে বর্তমান গ্যাসের চাহিদা ৪২০ কোটি ঘনফুট। পেট্রোবাংলা সরবরাহ করছে ২৬৭ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে এলএনজি থেকে আসছে ৩৮ কোটি ঘনফুট, যার পুরোটাই কাতাদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কেনা হয়।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / ডালিম




