নিজস্ব প্রতিবেদক, বড়লেখা:: মৌলভীবাজারের বড়লেখার তালিমপুর ইউপির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান ও তার ছেলে আবু হায়দার টিপু এবং হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে পরিষদের ৮ সদস্য যেসব অভিযোগ তুলেছেন তা মিথ্যা, পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন। 

রোববার (১৬ অক্টোবর) বেলা দেড়টায় তালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। এসময় তিনি উল্টো পরিষদের ৮ সদস্যের কাছে জিম্মি বলেও অভিযোগ করেছেন।


এসময় ইউপি সচিব সিদ্ধার্থ শংকর দাস, প্যানেল চেয়ারম্যান খয়রুল হক, ইউপি সদস্য শাহিন আহমদ ও আয়েশা বেগম, উপজেলা মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ, ইউপি কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক  ফয়সল আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান বলেন, ২০২২ সালে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সততা ও নিষ্টার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু দায়িত্বগ্রহণের পর থেকে পরিষদের ৮ জন্য সদস্য আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। গত ১৬ জানুয়ারি পরিষদের সবার মতামতের ভিত্তিতে লটারির মাধ্যমে ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খয়রুল হক পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর সবাই রেজুলেশনে স্বাক্ষরও করেন। এই তথ্য গোপন করে বদরুল ইসলামসহ ৮ জন ইউপি সদস্য আমার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ করেছেন যে আমি বিধি না মেনে কোনো সদস্যের মতামত না নিয়ে আমার পছন্দের ব্যক্তিকে প্যানেল চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছি। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এরপরও আমি সব বিভেদ ভুলে পরিষদের সব সদস্যকে নিয়ে পরিষদ পরিচালনা করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। ইউপি সদস্যদের সাথে মাসিক সভায় আলাপ-আলোচনা করে প্রকল্প গ্রহণ ও সকল সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে নিচ্ছি। কিন্তু সম্প্রতি ইউপি সদস্য সঞ্জয় দাসের নেতৃত্বে ৮ জন ইউপি সদস্য আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন আমি জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদ, অটোরিকশার প্লেট ও ট্যাক্স আমার লোকদ্বারা আদায় ও আত্মসাৎ করেছি। যা গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে পরিষদের রেজুলেশন অনুযায়ী জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদ, অটোরিকশার প্লেট ও ট্যাক্স আদায় করা হচ্ছে। যার রশিদ দায়িত্বে থাকা হেলাল উদ্দিনের কাছে আছে। এর বাইরে অতিরিক্ত টাকা কেউ আদায় করে না। এসব টাকা থেকে অফিসের ব্যয় পরিশোধ করে অবশিষ্ট টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন উল্টো তারা বিভিন্ন অনিয়ম করছেন। বরং আমি তাদের কাছে জিম্মি। তারা নাগরিকদের কাছ থেকে জন্মনিবন্ধনের খাত থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আত্মসাত করেছেন আমার কাছে প্রমাণ আছে।  

সিলেটভিউ২৪ডটকম/লাভলু