(প্রতীকি ছবি)
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামে পাথর থেকে চাদা আদায় করতে গিয়ে ২ পুলিশ সদস্য জনতার ধাওয়ার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস.আই মো. শাহাব উদ্দিন খান ওই দুই পুলিশশকে অভিযুক্ত করে সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে তদন্তসাপেক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে সিলেটভিউ-কে জানিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকান্ত চক্রবর্তী।
সাধারণ ডায়রিতে ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উল্লেখ করেন, কনস্টেবল মো. সুমন মিয়া ও মো. শাহরিয়ার হোসাইনের গত ২৪ ডিসেম্বর সাদাপাথর এলাকায় চুরি রোধে ডিউটি ছিল। কিন্তু তারা ডিউটিতে না গিয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জকে না বলে কলাবাড়ি এলাকায় যান এবং সেখানে পাথরভর্তি একটি ট্রলি জব্দ করে চাঁদা দাবি করেন। এসময় স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের উপর হামলা চালান।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তরা দোষী সাব্যস্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, ২৪ ডিসেম্বর রাত ১০টায় পুলিশ কনস্টেবল সুমন ও শাহরিয়ার কলাবাড়িতে পাথর ভর্তি ট্রলি থাকার খবর পান। খবর পেয়ে সাদা পোশাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল নিয়ে কলাবাড়ি নদীর পাড়ে যান তারা। সেখানে গিয়ে পাথর ভর্তি ট্রলি থেকে ৩ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত কয়েকজনের সাথে তারা বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হোন এবং এক পর্যায়ে ধাওয়া করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় লোকজন জানান, পুলিশকে টাকা দিয়ে নদী থেকে তারা পাথর সংগ্রহ করেন। এরপর আবার ট্রলি দিয়ে পাথর পরিবহনের সময়ও পুলিশকে টাকা দিতে হয়। ট্রলি যেই ক্রাশার মিলে পাথর বিক্রি করে সেই ক্রাশার মিল থেকেও টাকা নেয় পুলিশ। পুলিশের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ শ্রমিকেরা।
সিলেটভিউ২৪ডটকম / জলিল / ডালিম




