মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে চা বাগানের ভাষা-সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, কেনিয়ার ভাষা-সংস্কৃতি প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে প্রথম আন্তর্জাতিক চা জনগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) শমসেরনগর চা বাগান ফুটবল মাঠে শমসেরনগর, আলীনগর ও চাতলাপুর চা বাগানের (ফাঁড়িসহ) চা শ্রমিকবৃন্দের আয়োজনে দিনব্যাপী এ উৎসব হয়।
 

উৎসবে চা বাগানে বসবাসরত সকল চা জনগোষ্ঠীকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে গেজেটভুক্ত করা, চা বাগানের ভাষা ও সংস্কৃতির যথাযথ সংরক্ষণ ও বিকাশের জন্য “সংস্কৃতি একাডেমি” প্রতিষ্ঠা ও চা বাগানের মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা চালু করার দাবী জানানো হয়।


উৎসব আয়োজনের সমন্বয়কারী চা শ্রমিক নেতা সীতারাম বীনের সভাপতিত্বে ও চা ছাত্র নেতা মোহন রবিদাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মোঃ রফিকুর রহমান। উৎসবের আলোচনা পর্বে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন ভারত সরকারের রাজ্যসভার সাংসদ আবীর রঞ্জন বিশ্বাস, নেপালের কাঠমুন্ডু বিশ^বিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক পূর্ণা বি. নেপালী, ভারতের আসাম সরকারের জনস্বাস্থ্য কারিগরী বিভাগের অভিযন্তা বিবেকানন্দ মোহন্ত, কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালের মার্কেটিং এজিএম ড. অনুুপ ভক্ত, পশ্চিমবঙ্গের বেথুয়াডহরি কলেজের অধ্যাপক ড. রঞ্জন ব্যানার্জি।

এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দূর্যোগ, ত্রাণ ও ভূমি অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান রঞ্জিত সরকার, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সর্বভারতীয় নমঃশূভ্র ও উদ্বাস্ত উন্নয়ণ পরিষদের পর্যবেক্ষক ভোলানাথ বিশ্বাস, ভারতের সেন্ট মেরিজ কলেজের অধ্যাপক প্রধীপ অধিকারী, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সার্কেল) শহীদুল হক মুন্সী, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা রামভজন কৈরি, কমলগঞ্জ গণ মহাবিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ রসময় মহান্ত, লেখক ও গবেষক আহমদ সিরাজ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের ২য় অধিবেশনে মুক্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করেন ভারতের মুম্বাইয়ের বিশিষ্ঠ শিল্পী ড. রাজেশ বৈঠে।
 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/জয়নাল/পল্লব-১০