হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে অবৈধভাবে কৃষি জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে শেলো মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করার দায়ে শেলো ড্রেজার মেশিন চালক হান্নান মিয়া (৬০) কে নগদ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
 

এ সময় বালু উত্তোলন ব্যবহৃত ৯০ ফুট পাইপ জব্দ করা হয়।


অর্থদন্ডপ্রাপ্ত হান্নান মিয়া কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার মৃগা ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত আঃ খালেকের পুত্র।
 

বৃহস্পতিবার (২রা মার্চ) বিকাল চারটায় উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের ঘরদাইরে অভিযান চালিয়ে  ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এই দন্ডাদেশ প্রদান করেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুয়েল ভৌমিক।
 

এ সময় অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনে জড়িত মুলহোতা শামীম মিয়া ও তার সহোদর ফুয়াদ মিয়াসহ অন্যরা পালিয়ে যায়।
 

জানা যায়, কাকাইলছেও ইউনিয়নের ঘরদাইর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য শামীম মিয়া বিগত এক মাসের বেশী সময় ধরে কৃষি জমির শ্রেনী পরিবর্তন করে কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে শেলো ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে অপর একটি কৃষি জমি ভরাট করে আসছেন। এ নিয়ে বিগত দিনে বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে কিছুদিন বালু উত্তোলন বন্ধ রাখেন শামীম। বিগত কযেক দিন যাবত পুনরায় আবারো বালু উত্তোলন শুরু করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুয়েল ভৌমিক ঘরদাইরে অভিযান পরিচালনা করে মেশিন চালক হান্নান মিয়াকে আটক করেন। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালু মহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুসারে নগদ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।

 

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা কালে আজমিরীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করেন।
 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুয়েল ভৌমিক বলেন, অবৈধভাবে জমির শ্রেণী পরিবর্তনসহ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/মিলাদ/এসডি-২৮