আমরা বিশ্ববাসী দেখছি ইরান ও ইসরাইলের যুদ্ধ এবং তার প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পড়ছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। অন্ধকার ছাড়া আলোর মূল্য বোঝা যেমন কঠিন, তেমনি এই জ্বালানি সংকটও আমাদের জীবনে জ্বালানির অপরিহার্যতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে। জ্বালানি সংকট আমাদের অর্থনীতি ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি হলে বাড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্য, যা সাধারণ মানুষের জীবনে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।


তাই এই সংকট মোকাবিলা কেবল সরকারের দায়িত্ব নয়; সমাজের সকলকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।দুর্ভাগ্যবশত, সংকট দেখা দিলে কিছু অসাধু ব্যক্তি তা কৃত্রিমভাবে আরও বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এই ধরনের অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজন কঠোর আইন এবং তার বাস্তব কার্যকারিতা।


আমাদের দেশে একটি আইন আছে যার নাম হচ্ছে পেট্রোলিয়াম আইন,২০১৬।পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর ধারা ২(৯) অনুযায়ী, “পেট্রোলিয়াম” বলতে এমন সকল পদার্থকে বোঝায় যা মূলত তরল হাইড্রোকার্বন বা হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ দ্বারা গঠিত। এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সেই সকল প্রজ্জ্বলনীয় পদার্থও, যেগুলোর মধ্যে তরল হাইড্রোকার্বন বিদ্যমান থাকে, তা সে পদার্থ তরল,আঠালো বা কঠিন—যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন। অর্থাৎ, যে কোনো দাহ্য হাইড্রোকার্বন বা হাইড্রোকার্বনসমৃদ্ধ মিশ্রণ, যা আগুন ধারণ বা প্রজ্জ্বলিত হওয়ার সক্ষমতা রাখে, তা এই আইনের দৃষ্টিতে “পেট্রোলিয়াম” হিসেবে গণ্য।এগুলোর একটি বড় অংশ বাস্তবে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়—যেমন পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন ইত্যাদি। এসব পদার্থের প্রধান বৈশিষ্ট্যই হলো আগুন ধরে শক্তি উৎপন্ন করা,যা জ্বালানির মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
 

পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর ধারা ৪ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সরকারের নির্ধারিত বিধিমালা (ধারা ৩১ এর অধীন প্রণীত বিধি) অনুসরণ ব্যতীত পেট্রোলিয়াম আমদানি, পরিবহন, মজুদ বা বিতরণ করতে পারে না।পেট্রোলিয়াম আইন,২০১৬ এর ধারা ৩১ সরকারকে এই আইনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করে।এই ধারা অনুযায়ী, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিধিমালা তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ,আইনের মূল কাঠামোকে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করার জন্য বিস্তারিত নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করার পূর্ণ ক্ষমতা সরকারের হাতে ন্যস্ত রয়েছে।


উপ-ধারা (২) এ বলা হয়েছে যে,এই ক্ষমতা সাধারণ হলেও, বিভিন্ন নির্দিষ্ট বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করা যেতে পারে।যেমন—পেট্রোলিয়াম আমদানির নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ এবং অন্যত্র আমদানি নিষিদ্ধ করা, পেট্রোলিয়ামের আমদানি,পরিবহন ও বিতরণ নিয়ন্ত্রণ করা, প্রথম শ্রেণির পেট্রোলিয়ামের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার সময় ও পদ্ধতি নির্ধারণ, এবং লাইসেন্স না পেলে বা শর্ত পূরণ না হলে সংশ্লিষ্ট পেট্রোলিয়াম বাজেয়াপ্ত বা অন্যভাবে নিষ্পত্তি করা। এছাড়া পেট্রোলিয়াম পরিবহন ও মজুদের জন্য ব্যবহৃত ধারণপাত্র,পাইপলাইন, স্থান ও শর্ত নির্ধারণের বিষয়েও বিধি করা যায়।


এই ধারার মাধ্যমে সরকার লাইসেন্স সংক্রান্ত সকল বিষয়—যেমন আবেদন পদ্ধতি, ফি, শর্তাবলি, এবং সম্মিলিত বা যৌথ লাইসেন্স প্রদান—নির্ধারণ করতে পারে। একই সঙ্গে এজেন্ট, ডিলার ও আড়তদার নিয়োগ, তাদের লাইসেন্স প্রদান ও বাতিল,এবং তেল বিপণন কোম্পানির সঙ্গে তাদের চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়েও বিধান প্রণয়ন করা যায়। তদুপরি, পেট্রোলিয়ামে ক্ষতিকর বা বিষাক্ত পদার্থের অনুপাত নির্ধারণ এবং তার অতিরিক্ত ব্যবহার নিষিদ্ধ করার ক্ষমতাও এই ধারার অন্তর্ভুক্ত।এছাড়া, পেট্রোলিয়ামের উৎপাদন, শোধন, মিশ্রণ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের শর্ত নির্ধারণ, পরীক্ষণের জন্য নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষণ পদ্ধতি ও সরঞ্জামের মান নির্ধারণ, এবং পরীক্ষণ সংক্রান্ত ফি ও সনদপত্রের নিয়মাবলি নির্ধারণ করার ক্ষমতাও সরকারের রয়েছে। পরিদর্শন, প্রবেশাধিকার এবং কর্মকর্তাদের কার্যপদ্ধতি নির্ধারণসহ পেট্রোলিয়াম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য সব বিষয়েও বিধি প্রণয়ন করা যেতে পারে।

সুতরাং,ধারা ৩১ মূলত একটি অধীনস্থ আইন প্রণয়নের বিধান,যার মাধ্যমে সরকারকে বিস্তারিত নিয়ম-কানুন তৈরির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে,যাতে পেট্রোলিয়াম সংক্রান্ত কার্যক্রম নিরাপদ, নিয়ন্ত্রিত এবং আইনসম্মতভাবে পরিচালিত হয়।অর্থাৎ,এই কার্যক্রমগুলোর জন্য নির্ধারিত আইনগত নিয়ম-কানুন মেনে চলা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে, প্রথম শ্রেণির পেট্রোলিয়াম যা অত্যন্ত দাহ্য পদার্থ—আমদানি করার ক্ষেত্রে অবশ্যই লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে এবং সেই লাইসেন্সে বর্ণিত সকল শর্ত যথাযথভাবে পালন করতে হবে। তদ্রূপ, যেকোনো ধরনের পেট্রোলিয়াম পরিবহন, মজুদ বা বিতরণের ক্ষেত্রেও লাইসেন্স নেওয়া এবং তার শর্তাবলি অনুসরণ করা অপরিহার্য।সুতরাং,বিধিমালা ও লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘন করে পেট্রোলিয়াম সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা আইনত নিষিদ্ধ এবং তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

পেট্রোলিয়াম আইনে একটি ব্যাতিক্রমী ধারা রয়েছে।ধারা ৬, যেখানে বলা হয়েছে—কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পেট্রোলিয়াম সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য লাইসেন্স নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। অর্থাৎ, সাধারণভাবে যেখানে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, সেখানে এই ধারা কিছু সীমিত ছাড় প্রদান করে।


এই ধারার (ক) অনুযায়ী, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পেট্রোলিয়াম সর্বোচ্চ ২০০০ লিটার পর্যন্ত মজুদ বা পরিবহন করা হলে লাইসেন্স লাগবে না। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো—এই পেট্রোলিয়াম অবশ্যই এমন পাত্রে রাখতে হবে যার ধারণক্ষমতা ১০০০ লিটার বা তার কম। অর্থাৎ, বড় ট্যাংক বা অনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা যাবে না; নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে নিরাপদভাবে রাখতে হবে।

ধারা ৬(খ) অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির পেট্রোলিয়াম—যা অত্যন্ত দাহ্য—সাধারণত কঠোর নিয়ন্ত্রণাধীন। তবে বিক্রয়ের উদ্দেশ্য ছাড়া সর্বোচ্চ ২৫ লিটার পর্যন্ত মজুদ, পরিবহন বা আমদানি করলে লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে না। এখানেও নিরাপত্তার জন্য শর্ত আরোপ করা হয়েছে: পেট্রোলিয়াম অবশ্যই শক্তভাবে মুখবন্ধ পাত্রে রাখতে হবে, এবং প্লাস্টিক বা পাথরের পাত্র হলে সর্বোচ্চ ১ লিটার এবং ধাতব পাত্র হলে সর্বোচ্চ ২৫ লিটার ধারণক্ষমতার মধ্যে থাকতে হবে।ধারা ৬(গ) অনুযায়ী, যদি পেট্রোলিয়াম Railways Act,1890 এর section 3(6) অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত railway administration-এর হেফাজতে থাকে,তাহলে সেই ক্ষেত্রে পেট্রোলিয়াম আমদানি বা পরিবহনের জন্য আলাদা লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে না। অর্থাৎ, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকা পরিবহন ব্যবস্থাকে এখানে লাইসেন্স থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
 

আইন তৈরি করা হয় সমাজকে সুশৃঙ্খল, ন্যায়ভিত্তিক এবং স্থিতিশীল রাখার জন্য। এটি রাষ্ট্রের একটি মৌলিক হাতিয়ার, যার মাধ্যমে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ, অধিকার সুরক্ষা এবং শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়।যদিও আইন সবসময়ই সমাজে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য বহন করে,কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যায় সংকটকালীন সময়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি নিয়ম-কানুনের উর্ধ্বে থেকে নিজের স্বার্থসিদ্ধি করতে পারে। এই প্রসঙ্গে জনজীবনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর কার্যকারিতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

৩০ মার্চ,২০২৬ প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,৩ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৬৪ জেলায় মোট ৩ হাজার ১৬৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযানে অবৈধভাবে মজুদ করা ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।এসব ঘটনায় ১ হাজার ৫৩টি মামলা করা হয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ১৬টিতে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।প্রথম আলোর এই সংবাদ স্পষ্টভাবে দেখাচ্ছে যে, আইন থাকা সত্ত্বেও তা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে না,এবং সংকটকালীন সময়ে অনিয়ম ঢালাওভাবে ঘটছে।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন জাগে—পেট্রোলিয়াম আইন,২০১৬-এর শাস্তির বিধান কি অপরাধের তুলনায় যথেষ্ট, নাকি এটি কমমূল্যবান হয়ে পড়েছে? আইন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে সুশাসন ও সুশৃঙ্খল সমাজ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে যায়।
 

পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর ধারা ২০ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি দ্বিতীয় অধ্যায় বা সংশ্লিষ্ট বিধিমালা লঙ্ঘন করে পেট্রোলিয়াম আমদানি, পরিবহন, মজুদ, বিতরণ, উৎপাদন, শোধন, মিশ্রণ বা পুনঃব্যবহার করেন, অথবা ধারা ৪ বা ৫ ও ধারা ৩১ অনুযায়ী প্রণীত বিধি লঙ্ঘন করেন; অথবা লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা তার তত্ত্বাবধানে থাকা কেউ লাইসেন্সের শর্ত না মানে; অথবা পরিদর্শনে বাধা প্রদান করে কর্মকর্তার সহায়তায় অসহযোগিতা করে; কিংবা ধারা ২৪ অনুযায়ী সংঘটিত কোনো দুর্ঘটনার সংবাদ প্রদানে ব্যর্থ হন—তাহলে তার কার্য একটি অপরাধ গণ্য হবে এবং তিনি সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একইভাবে, যদি পেট্রোলিয়াম সংক্রান্ত কোনো স্থান বা যান পরিদর্শনে নিয়োজিত ব্যক্তি ধারা ১০ অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বাধা দেন বা সরঞ্জাম প্রদর্শনে অসহযোগিতা করেন, তাহলে তার দণ্ডও উপ-ধারা (১) অনুযায়ী হবে। এছাড়া, এই অপরাধ পুনরাবৃত্ত হলে দণ্ড ধাপে ধাপে দ্বিগুণ হারে আরোপিত হবে।পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ এর ধারা ২১ অনুযায়ী, ধারা ২০(১)-এর (ক),(খ) বা (গ) অনুযায়ী কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সেই অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত পেট্রোলিয়াম বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিতে পারবেন।এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে অপরাধের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত পেট্রোলিয়াম এবং যদি দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি পেট্রোলিয়াম আমদানি, পরিবহন, মজুদ বা বিতরণ করে থাকে, তাহলে অতিরিক্ত অংশের মধ্যে যে পরিমাণ অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত,সেটিও বাজেয়াপ্ত হবে।অর্থাৎ,এই আইন লঙ্ঘনকারীর শাস্তি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা ১০হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দন্ড এবং অপরাধের সাথে সম্পর্কিত অংশ বাজেয়াপ্ত হবে।
 

পেট্রোলিয়াম আইন,২০১৬ পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট দেখা যায়, বর্তমানে অপরাধের তুলনায় শাস্তি কম।ছোট-বড় সকল অপরাধীর জন্য সমান শাস্তির বিধান সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।সংকটময় এই সময়ে যারা দেশের স্বার্থ বিপন্ন করে কোটিপতি হতে চায়,তাদের প্রতি আইন এতো সদয় হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।তাই পেট্রোলিয়াম আইন অতি দ্রুত সংশোধন করে অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী শাস্তির বিধান নির্ধারণ করা উচিত এবং বর্তমান শাস্তির সীমা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। কঠোর শাস্তি থাকলে এবং তা সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হলে এই ধরনের অসাধু ব্যক্তিদের কার্যক্রম যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে এবং  দেশের অর্থনীতি ও জনগণের নিরাপত্তা সুরক্ষিত থাকবে।

 

লেখক: শিক্ষার্থী, আইন ও বিচার বিভাগ, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, সিলেট।