ছবি: সংগৃহিত
সিলেটে ফার্মেসির পেছনে চলছিল অনুমোদনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার। তবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সেটি বন্ধ করে দিয়েছেন। ফার্মেসির নাম হাজি কুটি মিয়া ফার্মেসি। আর ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নাম ড. ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালট্যান্সি।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকালে অভিযান চালিয়ে সেটি বন্ধ করা হয়।
জানা গেছে, সিলেট শহরতলীর টুকেরবাজার সুনামগঞ্জ রোডে হাজি কুটি মিয়া ফার্মেসিতে চেম্বার করেন ডা. খলিলুর রহমান নামের একজন এমবিবিএস ডাক্তার। তার বিশাল সাইনবোর্ড আছে। তবে ফার্মেসির পেছনে সাইনবোর্ডহীন একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অস্তিত্বের কথা দীর্ঘদিন থেকে শোনার পর অভিযানে নামে ভোক্তা। তারা অনুমোদনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অস্তিত্ব পান। সেটির নাম ড. ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালট্যান্সি।
অভিযানকালে কুটি মিয়ার ফার্মেসি কর্তৃপক্ষ সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেন নি। তাই আপাতত সেটি বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।
এ প্রসঙ্গে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আরিফ মিয়া জানান, তারা আপাতত সেটি সিলগালা করে দিয়েছেন। এক সপ্তাহের মধ্যে তারা অনুমোদনের কাগজপত্র দেখাতে পারলে সেটি আবার খুলে দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল প্রদর্শন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়ায় এই ফার্মেসিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তবে ওই ফার্মেসির একজন কর্মকর্তা মোবাইলে সিলেটভিউকে জানিয়েছেন, আমাদের অনুমোদন আছে। টেকনিশিয়ানকে উপস্থিত না পেয়ে এবং আরও কিছু ত্রুটির কারণে এক সপ্তাহের জন্য সেটি বন্ধ করেছেন তারা।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ইকে




