হবিগঞ্জ সদর উপজেলার হবিগঞ্জ-নসরতপুর সড়কের দরিয়াপুর এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। রোববার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জের অলিপুর এলাকায় অবস্থিত প্রাণ কোম্পানীর শ্রমিকবাহী একটি মাইক্রোবাস আটকিয়ে ডাকাতরা শ্রমিকদের কাছ থেকে ৬টি মোবাইল ও অর্ধ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতদের হামলায় অন্তত ৮ শ্রমিক আহত হয়েছেন।
এ সময় সুজন মিয়া (৩০) নামে এক শ্রমিক ডাকাতদের ব্যবহৃত দুটি গাড়ীর চালককে চিনে ফেলে নাম ধরে ডাক দেয়ায় ডাকাতরা তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। গুরুতর অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ৭ নারী শ্রমিক হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়। সুজন মিয়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পশ্চিম ভাদৈ গ্রামের আব্দুন নুরের ছেলে।
আহত সুজন মিয়া জানায়, ‘একটি মাইক্রোবাসে করে ১৬ জন শ্রমিক প্রাণ কোম্পানী থেকে হবিগঞ্জ শহরে আসার পথে দরিয়াপুর এলাকায় একটি লাল রঙ্গের কার মাইক্রোবাসের সামনে গিয়ে শ্রমিকবাহী গাড়ীকে আটকে দেয়। পিছনে আর একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাস দাঁড়ানোর পর দুই গাড়ী থেকে ১০/১২ জন ডাকাত নেমে এসে শ্রমিকবাহী গাড়িতে রামদা, ছোরাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে লুটপাট শুরু করে।
খোকন মিয়া ও অলি মিয়া নামের দুই চালককে আমি চিনে ফেলি। এসময় তাদের নাম ধরে ডাক দিলে ডাকাতরা আমার মাথা লক্ষ্য করে কুপ দিলে দুটি কুপ কানের পাশে ও কাঁধে লেগে গুরুতর জখম হই।’
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) দৌস মোহাম্মদ জানান, কয়েকজন শ্রমিক থানায় এসেছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ জাকারিয়া/ শাদিআচৌ-০৩




