ঈদের ছুটিতে বাড়িতে গিয়ে অনেকটা সময় পর গত শুক্রবার বরিশাল থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছান বিএম কনটেইনার ডিপো শ্রমিক মোহাম্মদ ফারুক (৫০)। শনিবার কাজে যোগ দেন। ফারুককে খুঁজতে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন ফাতেমা। পোশাক কারখানার কর্মী ফাতেমা জানান, তারা নগরের কলসি দিঘীর পারে থাকেন।
ডিপোতে আগুন লাগার খবর শোনা ও রাতে বাবা বাসায় না ফেরার কারণে সকালে হাসপাতালে আসেন। কিন্তু কোথাও পাওয়া যায়নি মোহাম্মদ ফারুককে। মোবাইলে বাবার ছবি নিয়ে মর্গের কাছেই বিলাপ ভুলে দাঁড়িয়ে ছিলেন ফাতেমা।
সূচনা ও ফাতেমার মতো বহু কন্যা, বোন, ভাই বা অন্য স্বজনরা এসেছেন তাদের বাবা, ভাই ও নিকট স্বজনদের খোঁজে। কেউ পেয়েছেন প্রাণহীন দেহ, কেউ পাননি। যারা পাননি, স্বজনদের জন্য তাদের অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হচ্ছে।
সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে শনিবার (৪ জুন) রাতে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের সাত কর্মী নিহত হওয়াসহ ৪৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি আহত হয়েছে দেড় শতাধিক। তাদের বেশির ভাগই চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিদগ্ধ ১৪ সদস্য ও একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল থেকে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় শেখ হাসিনা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়েছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/জিএসি-০৯
সূত্র : কালের কণ্ঠ




