মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের লাগাতার কর্মবিরতির ১২ দিনে বিক্ষোভ ও সমাবেশ হয়েছে।

 


শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগানে বিক্ষোভ সমাবেশে লস্করপুর ভ্যালির সভাপতি রবীন্দ্র গৌড় এ ঘোষণা দেন।

 

রবিবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রিয় কমিটির নির্দেশে শায়েস্থাগঞ্জ পয়েন্টে ২২ বাগানের শ্রমিক মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখার ঘোষনা দিয়েছে।

 

বিক্ষোভ সমাবেশে শ্রমিক নেতারা বলেন, গত ১১ দিন ধরে মালিক পক্ষ বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সময়ক্ষেপন করছেন। চা শ্রমিকদের ৩শ টাকার মজুরি বৃদ্ধির ন্যায্য দাবি মেনে নিচ্ছেন না। শ্রীমঙ্গল ও ঢাকায় শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের উপস্থিতিতে  শ্রমিক পক্ষ ও মালিক পক্ষের বৈঠকে শ্রমিকদের দাবির প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এ কারনে দেশের ১৬৮টি চা বাগানের শ্রমিকরা দাবি আদায়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছে।

 

তারা বলেন, চা শ্রমিক ইউনিয়ন কেন্দ্রিয় নেতাদের নির্দেশে রবিবার সকালে হবিগঞ্জের লস্করপুর ভ্যালির ২২ বাগানে হাজারো শ্রমিক শায়েস্থাগঞ্জ মহাসড়ক পয়েন্টে অবস্থান করবে।

 

সমাবেশে প্রদীপ কৈরির পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বৈকন্ঠপুর চা বাগানের সভাপতি গেনু কেউট, তেলিয়াপাড়া চা বাগান সভাপতি, খোকন পানতাঁতী, সেক্রেটারী লালন পাহান, জগদীশপুর চা বাগান সভাপতি পার্থ গোয়ালা, নোয়াপাড়া চা বাগান সভাপতি কমেট নায়েক, সুরমা চা বাগান সভাপতি আলমগীর মিয়া, সেক্রেটারী বিশ^নাথ তাঁতী, লক্ষন কর্মকার, লক্ষীরাম মুন্ডা প্রমুখ।

 

এদিকে ১২ দিন ধরে চা বাগানে শ্রমিকরা কাজ বর্জন করায় চা কারখানা বন্ধ থাকায় অনেক  সংগ্রহ করা সবুজ চা পাতা পচে নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া সেকশন থেকে দুটি পাতা একটি কুড়িঁ উত্তোলন বন্ধ থাকায় চা বাগানে সবুজ চাপাতা উপরের অংশ অনেক বড় হয়ে যাওয়ায় এ বছর চায়ের উৎপাদন অনেক হৃাস পাবে বলে বাগানে কর্মরত ব্যবস্থাপকরা জানিয়েছেন।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/শামীম/এসডি-২৮