সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সরকারি ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারি (কাম-কম্পিউটার) মিজানুর রহমানের নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও স্বেচ্ছাচারিতায় ফুঁসে উঠেছে কলেজের শিক্ষার্থীরা।

 


এ ব্যাপারে মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) উপজেল নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

 

অভিযোগে উল্ল্যেখ করা হয়, দোয়ারাবাজার সরকারি ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারি (কাম-কম্পিউটার) মিজানুর রহমানের নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও স্বেচ্ছাচারিতায় অনুকুল পরিবেশ বিদ্যমান না থাকায় অধ্যয়লরত শিক্ষার্থীদের পাঠদানে নিয়মিত ব্যাঘাত ঘটছে। প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মোবাইল নম্বার ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ করা ছাড়াও প্রত্যায়ণপত্র বা প্রশংসাপত্র নিতে ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকা করে আদায় করেন তিনি।এদিকে অবৈধ আর্থিক ফায়দা লুটতে ইচ্ছাকৃতভাবে উপবৃত্তি তালিকায় ভূল করে থাকেন তিনি। যা পরবর্তীতে সংশোধনের খরচের নামে বারবার টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ নানা অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতায় অযথা হয়রানি করছেন শিক্ষার্থীদের। আর এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে উল্টো অকথ্য ভাষায় শিক্ষার্থীদের গালিগালাজ করাসহ তাদের ক্ষতিসাধনে মরিয়া হয়ে উঠেন অফিস সহকারি মিজানুর রহমান।

 

শুধু তাই নয়, তার এসব আচরণে প্রতিষ্ঠানের ক্ষুব্দ চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের অবহেলা-অযত্নে শ্রেণিকক্ষসহ কলেজ আঙিনা সর্বদাই অপরিছন্ন থাকে। পক্ষান্তরে এসব নোংরামিসহ নানা অনিয়মে সুষ্ঠ পাঠদানে অনুকুল পরিবেশ বিনষ্ট হওয়ার কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। আর এমন অব্যবস্থাপনায় সচেতন মহলে বইছে সমালোচনার ঝড়।

 

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আজাদুর রহমান বলেন, অফিস সহকারি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গত দু’দিন আগে তিনি লুঙ্গি পরে অফিসে আসার একটি ছবি ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে সত্য। তদন্ত সাপেক্ষ তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা প্রিয়াঙ্কা জানান, কলেজের অফিস সহকারি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছি। উপজেলা শিক্ষা অফিসারের তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর  ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/তাজুল/এসডি-২৩