প্রায় ৪/৫ মাস পূর্বে সেনাবাহিনিকে দেয়া হয়েছিল ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা। শুনে খুশি হয়েলিাম। আমার গ্রামের বাড়ি শহর থেকে প্রায় ৫০/৫৫ কিলোমিটার দূরে। এত দূরের গ্রামের বাড়িতে যাওয়া-আসার সময় পথিমধ্যে মাত্র দু’টি জায়গায় হাই-ওয়েতে পুলিশ-চেকপোষ্ট দেখেছি। একটি শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে, অপরটি আমার উপজেলা সদরে। প্রথমে কয়েক দিন উপজেলা সদরের চেক-পোষ্টটিতে ২ জন করে পুলিশ দেখেছি, কোন সেনা-সদস্য দেখে নি। আর দেখেছি ঐ পুলিশ-সদস্যদের নিষ্কর্মা অবস্থান। বসে বসে হয় তো তারা মোবাইল টিপ্ছেন, না হয় গল্প করছেন।


সকল ধরনের গাড়িই রাতদিন যাওয়া-আসা করছে, তবে গরু-মহিষ ভর্তি গাড়িই অধিক, আছে বস্থা-ভর্তি চিনির গাড়িও। এলাকাবাসির মুখে শুনেছিঃ বড় গাড়ি দেখলে পুলিশ মাঝেমধ্যে থামায়, কিন্তু কোন্ অজানা রহস্যে একটু পরে আবার ছেড়ে দেয়। এলাকাবাসির আন্দাজ, লুকিয়ে লুকিয়ে কিছু টাকা/বকশিষ পেয়েই কাজ সারা। আর অধিকাংশ সময় দেখেছি, কোন পুলিশই নেই। চেকপোষ্ট ফাঁকা। আর শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরের যে চেকপোষ্টটি দেখেছি, সেখানে মাত্র ১ দিন ৩ জন সেনাসদস্যকে দেখতে পেয়েছি। তাঁরা আমাকে থামিয়েছেন, কাগজ-পত্রও দেখেছেন। পরে আমি চলে গেছি।



আমি সপ্তাহ অন্তর অন্তর বাড়ি যাই, কিন্তু আর্মি-পুলিশ দেখেছি ঐ মাত্র ১ দিন। মনে মনে ভাবলাম, ঐ সদস্যদেরকে বেহুদাই মাঠে নামানো হয়েছে। কারণ, বিগত দুই/তিনটি নির্বাচনের সময় দেখেছি, পোলিং সেন্টারের বাইরে তিন জন আর্মি দাঁড়িয়ে আছেন। বেলা ৩.০০ টা হবে। আমি যাওয়ার সময় আমার পাড়ার এক দোকান্দার বলছিলেন, “কোথায় যান , স্যার”। যখন বললাম, “ভোট দিতে”, তখন উনি বললেন, “ভোট তো গত রাতেই শেষ হয়ে গেছে, এখন গিয়ে কী করবেন”? আমি বললাম, “গিয়ে দেখি”। সেন্টারের গেইটে পৌঁছে দেখি, ঐ রকম তিন জন আর্মি বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন। নিঝুম-নিস্তব্দ পরিবেশ। উনারা আমাকে জিজ্ঞেস করায় জবাবে বললাম, “ভোট দিতে এসেছি”। তখন উনারা আমাকে কিছু না বলেই পূর্বের মত দাঁড়িয়েই রইলেন। আমি গেইটের ভেতরে ঢুকে দেখি, সেন্টারের পুরো মাঠ খালি, ৩/৪ জন পুলিশ সেন্টারের মাঠে আয়েশে পায়চারি করছেন। আমি ঢুকলাম প্রথম বুথে। দেখি, সবাই আমার পরিচিতজন, এলাকার লোক। সাড়া পড়ে গেলঃ “স্যার আসছেন, দেখ তো উনার ভোটার লিস্ট কোন্ রুমে”? প্রথম বুথে উনারা ভোটার কাগজ উল্টা-পাল্টা করে আমার নাম খোঁজে পেলেন না। বললেন, “স্যার, আমার সাথে আসেন, মনে হয় অন্য কোন রুমে হবে”। এইভাবে আমাকে ৪ রুম হাঁটানোর পর এক রুম থেকে আওয়াজ আস্লঃ “পেয়েছি, স্যারকে ভোটার কালি লাগিয়ে দিন”, অমার নাম কিন্তু আমি দেখি নি, কাগজও না। যাক, সাধের ভোট দিয়ে চলে আসলাম।

হাঁটতে হাঁটতে ভাবলাম, হায় আল্লাহ! বাইরে আর্মি আর ভেতরে পুলিশ, এরা যেন দাঁড়িয়ে আছেন একটি মাত্র কাজ করারর জন্য, আর তা হল, আওয়ামি লীগের মানুষ ছাড়া ভিন্ন কেউ যেন ভেতরে ঢুকে কোন গÐগোল ঘটাতে না পারে, আর আওয়ামি লীগের ওরা যেন নির্বিঘেœ বাক্স ভরতে পারে।

সরকারকে আমি আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে বলছিঃ নিতান্ত মানবিক কারণ বা প্রয়োজন ছাড়া সেনাবাহিনিকে রাস্তায় নামাবেন না। তাতে অবশ্যই উনাদের মর্যাদার হানি হয়। যখন-তখন সেনাসদস্য নামানোয় বাস্তবে কোন কাজও হয় না, চাক্ষুষ কোন ফলও দেখা যায় না। যেখানে সেনারা আছেন, সেখানে পুলিশ-বিজিবি কাজ করবে কোন্ সাহসে? “সেনাবাহিনি মাঠে নামবে”- এটা বড় গলার কথা ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।

বছর দুই-আড়াই পূর্বে আমি গ্রামের বাড়ি থেকে শহরের বাসায় ফিরছিলাম। বেলা হবে ২ টার মত। হাইওয়ের এক জায়গায় ২ জন পুলিশ-সদস্য ছিলেন কর্মরত। উনাদেরকে দেখে আগেই আমি গাড়ির স্পীড কমালাম। ইশারা মত গাড়ি সাইড করলাম। কাগজ-পত্র দেখার পর আমার যাওয়ার পালা। এমন সময় পেছন থেকে একটি মোটরসাইকেল আসল। উনারা এবার ওটাকে থামালেন। আরোহী বা ড্রাইভারের কোন কাগজপত্র নেই। সে পরিচয় দিল সে আওয়ামি লীগের একজন বড় নেতা। কিন্তু আমার সামনেই পুলিশ ২ জন নাছুড় বান্দা। আরোহী বললঃ “নির্ঘুম সারা রাত সে সীল মেরে মেরে আওয়ামি লীগকে তারা ক্ষমতায় বসিয়েছে, তাই তার সাথে এ রকম ব্যবহার পুলিশ করতে পারে না। সে তাদেরকে তার বড় নেতার হুমকিও দিল। এবার পুলিশ সদস্যদ্বয় বললেনঃ “আরে! ঘোড়ার ডিম! তুমি কয়টা সীল মেরেছ? সারা রাত সীল মেরে আমরাই বাক্সের পর বাক্স ভরেছি এবং আওয়ামি লীগকে ক্ষমতায় বসিয়েছি। এ সমস্থ কথায় কোন কাজ হবে না। কাগজ-পত্র অবশ্যই দেখানো লাগবে”।

তখন আরোহী পুলিশ দু’জনকে রীতিমত ধমকাতে লাগল। এবার পুলিশ দু’জন আমাকে ইশারা দিয়ে তাদের কাছে নিলেন। বললেন, “দেখুন স্যার তার ধমকা-ধমকি আর ক্ষমতার বাহাদুরি! আওয়ামি লীগকে ক্ষমতায় বসাইলাম আমরা, আর এখন ক্রেডিট নিচ্ছে সে”।

অবস্থা বেগতিক দেখে আমি চুপ থাকতে পারলাম না। আরোহী যুবককে বললাম, “আরে চাচা, তোমার কথায় বুঝলাম, তুমি আওয়ামি লীগের একজন বড় নেতা, এক কাজ করো, তুমি আগামি কালই তোমার আরও বড় বড় নেতাদেরকে সাথে নিয়ে বিআরটিএ অফিসে যাও, আর ওখানে ১ ঘন্টা বসে সকল কাগজ-পত্র ঠিক করে নিয়ে আস, এটা তোমার জন্য মোঠেই কঠিন কাজ নয়”।

“আর পুলিশ বাবাজিরা! আপনারা আপনাদের কাজ ঠিকই করছেন, তবে আজকের মত তাকে ছেড়ে দিন প্লীজ, সে আগামি কালের মধ্যেই কাগজ-পত্র ঠিক করুক। আর এই চাচা, পারবে তো আগামি কালের মধ্যে”? “জি স্যার, পারব, আজ আমাকে ছেড়ে দিতে বলুন”। তখন আমার অনুরোধে পুলিশ বাবাজিগণ তাকে ছেড়ে দিলেন। ভাবলাম, হায় রে, এই তো আওয়ামি লীগের নির্বাচন!

আমার এলাকার এক আওয়ামি নেতার সাথে সব সময়ই আমার খুব খাতীর। তাদের বাপ-দাদার রেখে যাওয়া অঢেল সম্পত্তি আছে। দুই/একবার উনার কাছ থেকে আমি টাকাও ধার নিয়েছি। ইলেক্সনের ঐ মধ্য রাতে বাধ্য হয়েই আমি উনাকে ফোন করলাম-আমার কিছু টাকার নিতান্ত প্রয়োজন পড়ে গেছে। জবাব পেলাম, “মামা, আমি এখন কথা বলতে পারব না, ভোটের কাজে খুব ব্যস্ত”।

আজ ভাবছি, একটা রাজনৈতিক দল কীভাবে এত বড় ডাকাত হতে পারে? আমার এ নিবন্ধের শিরোনামে আছে, ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার, যা দেয়া হয়েছে আমাদের সেনাবাহিনিকে। পরে বেরিয়েছে “অপারেশন ডেভিল হান্ট”। তবে কাজ হয়েছে কতটুকু, আমার মাথায় তা কিছুতেই ঢুকছে না। কয়েক দিন অগে থেকে শুধু শুনা-ই যাচ্ছে, ছাত্রলীগ-আওয়ামি লীগের ঝটিকা মিছিল, তা আবার গোটা দেশে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি অনেক বড় বড় মিছিল। হাজার হাজার মিছিলকারি। তা হলে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার কোথায় হারালো? কোথায় হাওয়া হয়ে গেল “অপারেশন ডেভিল হান্ট”।

বড় বড় মিছিল দেখে যা বুঝা গেল, লক্ষ লক্ষ আওয়ামি কর্মীরা দেশের ভেতরেই আছে। পুলিশ কার অলি-গলি আর বাড়িঘর চেনে না? পুলিশ পারে না, এমন কোন কাজ নেই। তা হলে এত মানুষের মিছিল কি করে বের হয়?

সরকার ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার এবং “ডেভিল হান্ট” এর ধোঁয়া তুলে দেশ-বাসিকে বোকা বানাচ্ছে। প্রায় প্রতিদিন লক্ষ মানুষের ঝটিকা মিছিল হচ্ছে। আর আজ শুনলাম এ্যরেস্ট হয়েছে মাত্র ১১ জন। হাসির কথা, না প্রহসন, তা-ই বুঝা মুশকিল। যত দিন যাবে, আওয়ামি লীগ ততই সুসংগটিত হবে। ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার আর ডেভিল হান্ট- কোনটা দিয়েই স্বৈরাচারের দোসরদেরকে ধরতে পারলেন না, বিচারও করতে পালেন না। সেনাকুঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার সাথে খোশালাপ আপনাদের কাজ বা কোন সফলতা নয়।

বিদেশের লোন মারাও আপনাদের কাজও নয়, সফলতাও নয়। নির্বাচিত সরকার আসলে এগুলো করবে। বিদেশি ঋণ ফেরত পেয়ে বিদেশিরা তো আপনাদেরকে বাহŸা দেবেই। এতে আপনারা হয়ে যাচ্ছেন গদ গদ। বলুন, কোন্ বহিঃদেশ সংকট-কালে আপনাদের পাশে এসে দাঁড়াবে? বাস্তবতা হল-কোন বহিঃদেশকে তখন আপনারা পাশে বা কাছে পাবেন না।
মনে রাখবেন সরকার, ইংরেজি ঢ়ড়ষরঃরপং শব্দটি এসেছে, আরেক ইংরেজি ঢ়ড়ষরঃরপ শব্দ থেকে, যার অর্থ হচ্ছেঃ ধূর্ত, চালাক, কানিং লাইক এ্য ফক্স। এর সাথে ‘এস’ অক্ষরটি লেগে হয়ে গেছে পড়ার শাস্ত্র বা বিষয়, যেমন ইংরেজি ‘ইকোনোমিক’ শব্দের সাথে ‘এস’ অক্ষরটি যুক্ত হয়ে হয়ে গেছে ‘ইকোনোমিক্স’-যা একটি অধ্যয়নের শাস্ত্র।

সুতরাং হে অন্তবর্তীকালীন সরকার! ভুলবেন না-রাজনীতির এ্যটিমোলোজিকেল উৎপত্তি হচ্ছে একটি খারাপ শব্দ থেকে। তাই রাজনীতিতে দেখা যায় চালাকি, বিশ^সঘাতকতা, রক্তের খেলা, খুন, হত্যা, গুম, অপহরন, ধূর্তামি, কম্প্রোমাইজ-হীনতা, শক্তি-প্রয়োগ, অবিশ^াস, শেয়ালিপনা, বেইমানি ইত্যাদি। এগুলো করতে পারলে রাজনীতির মাঠে থাকুন, নতুবা সম্মান থাকতেই বিদায় নিন।

আন্দেনকারি ছাত্র-জনতা বিপদে পড়ে আপনাদেরকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। তাই, আপনদের মুখ্য কাজ হবে বিচার ও সম্ভাব্য সংস্কার। কিন্তু স্বৈরাচারের বিচারের ধারে-কাছেও আপনারা নেই। অপর দিকে সময় পেয়ে দেশে আত্মগোপনকারি ও বিদেশে পলায়নকারিরা যা করার তা-ই করছে। মনে রাখবেনঃ যদি আপনারা ফেল করেন, আপনাদের হাদিসও পাওয়া যাবে না। 
সম্মানিত হতে কয়টা ডিগ্রি লাগে? কয়টা পুরষ্কার লাগে? কয়টা স্বীকৃতি লাগে? কয়টা এ্যওয়ার্ড লাগে? জীবনে যা লাগে, তার চাইতে  ঢের বেশি আপনারা পেয়েছেন, তাই, এখানেই থামুন, গিভ এ্য ফুলস্টপ। পারলে বিচার করুন, জনগণ এতে খুশি হবে। আপনরা যত বেশি দেরি করবেন, তত বেশি জনপ্রিয়তা হারাবেন, এবং এটা আরম্ভও হয়ে গেছে, যা দিবালোকের মত পরিস্কার ও সত্য। আপনার এত দিনে ১১ জনকে এ্যরেস্ট করেছেন, লুকিয়ে আছে ১১ লক্ষ বা আরো অধিক, এ সহজ অঙ্কটা কি বুঝেন না? আপনাদের দেয়া ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার ফেল, আপনাদের ডেভিড হান্টও ফেল। এগুলোর কারণও কি বুঝেন না? এগুলো কিসের ইংগিত? মনে রাখবেনঃ মানুষ স্যাটানও নয়, এ্যঞ্জেলও নয়, হী ইজ ইন দ্য মিড্ল্। সো, দয়া করে, বী কেয়ারফুল।

পলায়নকারিদের প্রেতাত্মাসমূহ এখনো দিব্যি আরামে বসে আছে সেনাবাহিনিতে, বঙ্গভবনে, প্রশাসনে, তারা এখনই আপনাদেরকে নিয়ে মনে মনে হাসছে। নোবেল প্রাইজ পাওয়া, ডক্টোরেট ডিগ্রি লাভ করা, প্রফেসর হওয়া এবং রাজনীতি এক জিনিস নয়। স্বয়ং আমি বিসিএস-ওয়ালা, ডক্টোরেট ডিগ্রিওয়ালা সারা জীবন দেশে-বিদেশে বিশ^বিদ্যালয় মাতিয়েছি, কিন্তু আমি ভাল করেই জানি, গ্রাম্য মোড়লদের অধীনস্থ আমার নিজ গ্রাম আমি দু’দিনও চালাতে পারব না। ওখানে ঐ মোড়লদেরই দরকার। আমার সকল ডিগ্রি তাদের কাছে ফেল। এ সত্যটুকু আমাকে মেনে নিতেই হবে। অন্যতায় আমি হব সত্যিকারের একটা আহ্মক।

কুয়েটে ভিসি দিয়ে আপনারা টিকাতে পারেন নি। অর্থাৎ, আপনারা গার্ডিয়ানশীপ দিতে পারেন নি। এখানে আপনারা ফেল। অপেক্ষা করুন। এ অবস্থা একে একে সকল বিশ^বিদ্যালয়ে ঘটবে। কারণ, এখনো সব জায়গায় ওৎ পেঁতে বসে আছে পলায়নকারিদের (পবিত্র?) রূহ মোবারক।

আর আমি বার বলে আসছি, পলায়নকারি সরকারের আবার কিসের পদত্যাগপত্র? তার সংসদ অটোমেকি বাতিল। তার প্রেসিডেন্টও অটোমেটিক অকার্যকর। তার শাসনতন্ত্রও আপনা-আপনি বাতিল। অধিকন্তু, কোন বিপ্লবি সরকার কোন শাসনতত্রের মধ্য দিয়ে আসে না। তাই, তার নির্দিষ্ট কোন মেয়াদও নেই।

গতকাল ইউটিউবে দেখলাম, প্রফেসর ইউনুস বলছেনঃ হাসিনাকে এ ভাবে থামানো যাবে না, মোদিও বলছেন তা-ই। অথচ ফাইলের মধ্য দিয়ে, “ইন এবসেন্সিয়া” বিচার হলে হাসিনা বা অন্য পালিয়ে যাওয়ারা বিদেশে বসে এত আস্ফালন করতে পারত না।

 


লেখক: প্রফেসর ড. মো. আতী উল্লাহ, ইংরেজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা ও ২৪ বছরের বিভাগীয় প্রধান, বিভাগের সাবেক জ্যেষ্ঠতম অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট, ও দেশে-বিদেশে ৪৬ বছরের ইংরেজি ভাষা ও ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষক। বর্তমানে ভিজিটিং প্রফেসর, সিলেট সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, সিলেট।