দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) এবং অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি (পশুপালন) শিক্ষার গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে আকাশচুম্বী।
বর্তমান সময়ে বাণিজ্যিক পোল্ট্রি, ডেইরি এবং ফিড মিল শিল্পগুলো শত কোটি টাকার করপোরেট খাতে রূপান্তরিত হওয়ায় পশুর জাত উন্নয়ন, সুষম পুষ্টি ব্যবস্থাপনা ও বায়োসিকিউরিটি নিশ্চিত করতে এই দুই খাতের গ্র্যাজুয়েটদের চাহিদা মাঠপর্যায়ে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণের ফলে প্রাণিসম্পদে দেখা দেওয়া নতুন নতুন রোগবালাই মোকাবিলায় 'ওয়ান হেলথ' বা সমন্বিত স্বাস্থ্য ধারণার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেটেরিনারিয়ান ও হাজবেন্ড্রি বিশেষজ্ঞরা মূল কারিগর হিসেবে কাজ করছেন। তবে এই বিশাল সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে হলে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যুগোপযোগী মলিকুলার ল্যাব প্রতিষ্ঠা, উচ্চতর বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং মাঠপর্যায়ে চিকিৎসা ও খামার ব্যবস্থাপনার মধ্যে পেশাগত সমন্বয়হীনতা দূর করা অত্যন্ত জরুরি, যা দীর্ঘমেয়াদে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে দেশের রপ্তানি আয়ের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
লেখক: মো. কামরুল হাসান, ভেটেরিনারি,এনিম্যাল ও বায়োমেডিকেল সায়েন্স অনুষদ, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।




