নতুন দপ্তর বণ্টনের পর মন্ত্রীদের অনুপস্থিতিতে সংসদে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম কে পরিচালনা করবেন, তা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। স্থানীয় সরকার, খাদ্য, তথ্য ও সম্প্রচার এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়সহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের বিকল্প দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নামও নির্ধারণ করা হয়েছে।
 

সোমবার (২৪ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।


মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত মন্ত্রীরা সংসদে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। নতুন আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি অনুপস্থিত থাকলে পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর (এজেডএম) মো. জাহিদ হোসেন এবং শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি অনুপস্থিত থাকলে এ দায়িত্ব পালন করবেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
 

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন আফরোজা খানম। তার অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় দায়িত্বে থাকবেন আন্দালিব রহমান। তিনি অনুপস্থিত থাকলে দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি অনুপস্থিত থাকলে দায়িত্ব পালন করবেন ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন সাচিং প্রু। তিনি অনুপস্থিত থাকলে একই দায়িত্ব পালন করবেন মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এ বিষয়ে আগে জারি করা প্রজ্ঞাপনগুলোর অন্যান্য সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত থাকবে।
 

এর আগে গত ২১ আগস্ট মন্ত্রিসভার নতুন ছয় সদস্য শপথ নেন। পরে তাদের মধ্যে নতুন করে দপ্তর বণ্টন করা হয় এবং একজন পুরোনো মন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়।

নতুন দায়িত্ব অনুযায়ী ড. আব্দুল মঈন খান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত পান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সাচিং প্রু পান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং আন্দালিব রহমান পান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

এ ছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আফরোজা খানমকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
 

নতুন দপ্তর বণ্টন ও পুনর্বণ্টনের পর সংসদে মন্ত্রণালয়গুলোর কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বও নতুন করে নির্ধারণ করল সরকার।

 


সিলেটভিউ২৪ডটকম/ডেস্ক/এসডি-১৫